(উপরের ভিডিওটিতে দেখুন বিস্তারিত)
বুধবার, ২৪ এপ্রিল, ২০১৯
সীমান্তের মিলনমেলা | বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত
(উপরের ভিডিওটিতে দেখুন বিস্তারিত)
রবিবার, ১৪ এপ্রিল, ২০১৯
বাঙ্গালির পহেলা বৈশাখ ও কৃষকের আত্মহত্যা
![]() |
| পহেলা বৈশাখ উদযাপন |
পহেলা বৈশাখ বাঙ্গালির সংস্কৃতির সাথে মিশে আছে। এবং এটি এখন বাংলা সংস্কৃতির অন্যতম অনুষঙ্গ। বৈশাখের এই উদযাপনকে বর্তমানে অনেকেই তুলনা করছেন ব্রাজিলের বিখ্যাত উৎসব "কার্নিভাল" এর সাথে।
স্বভাবতই অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে পহেলা বৈশাখের এই উদযাপন শুরু হয়েছিল ঠিক কখন বা কিভাবে? আর কারাই বা এটা শুরু করেছেন?
অনেকেই হয়ত মনে করে থাকেন বাঙ্গালিরা প্রাচীনকাল থেকে আনন্দঘন দিন হিসেবে এই পহেলা বৈশাখের উদযাপন করে আসছেন! কিন্তু তা নয় এর পিছনে লুকিয়ে আছে কৃষক আত্মহত্যার করুণ ইতিহাস।
প্রথমে চলুন জেনে আসি বাংলা বর্ষের শুরুটা হল কিভাবে।
খ্রিস্টীয়, গ্রেগরিয় ও গ্রীক বর্ষপঞ্জির মতই ৫৯৩ খ্রিস্টাব্দে রাজা শশাঙ্ক ভারতবর্ষে প্রথম বাংলা বর্ষপঞ্জির শুরু করেন। তবে ৫৯৩ খ্রিষ্টাব্দের ঠিক কত তারিখ থেকে বাংলা বর্ষ গণণা শুরু হয়েছিল এবং কি নামে চালু হয়েছিল সেটির সঠিক তথ্য কোথাও পাওয়া যায়নি।
তবে বাঙ্গালীর ঐতিহ্যের সাথে এই পহেলা বৈশাখ যুক্ত হয় মোগল সম্রাট আকবরের আমল থেকে। যদিও সম্রাট আকবর নিজে বাঙালি ছিলেন না। সম্রাটের আদেশ মতে রাজকীয় জ্যোতির্বিজ্ঞানী ফতেহউল্লাহ সিরাজি সৌর সন এবং আরবি হিজরী সনের উপর ভিত্তি করে নতুন বাংলা সনের নিয়ম বিনির্মাণ করেন। এবং এটি ছিল রাজা শশাংকেরই সেই বর্ষপঞ্জির সংস্করণ মাত্র। ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দের ১০ই মার্চ বা ১১ই মার্চ থেকে বাংলা সন গণনা শুরু হয়। তবে এই গণনা পদ্ধতি কার্যকর করা হয় আকবরের সিংহাসন আরোহণের সময় (৫ই নভেম্বর, ১৫৫৬) থেকে। প্রথমে এই সনের নাম ছিল ফসলি সন, পরে "বঙ্গাব্দ" বা বাংলা বর্ষ নামে পরিচিত হয়।
সম্রাট আকবরের এই বর্ষপঞ্জি চালুর পিছনে লুকিয়ে আছে করুন ইতিহাসটি। মুলত সম্রাট আকবর দুইটি কারণে এই বাংলা বর্ষপঞ্জি চালু করেন।
প্রথমত, আকবরের সিংহাসন আরোহণের সময় (৫ই নভেম্বর, ১৫৫৬) দিনটিকে স্বরণীয় করে রাখতে, যার কারণে ৫ই নভেম্বর, ১৫৫৬ ইং থেকেই গণণা কার্যকর করা হয়।
দ্বিতীয়ত, কৃষকদের কাছ থেকে খাজনা আদায়ের বার্ষিক একটা দিন ধার্য, যার কারণে পঞ্জিকার শুরুটা করা হয়েছিল ফসলের মৌসুমিকালকে হিসেব করে এবং এর নাম দেওয়া হয়েছিল "ফসলি সন"। এবং কৃষকদের এই খাজনা দিতে হত পহেলা বৈশাখে।
পহেলা বৈশাখ আসন্ন হলেই কৃষকদের উপর খাজনা দেওয়ার খড়ংগ নেমে আসত। খাজনা দিতে না পারলে কৃষকদের উপর করা হত পাশবিক নির্যাতন।
আবার অনেক কৃষক মহাজনদের কাছ থেকে ঋণ নিয়ে চাষাবাদ করত। কিন্তু মহাজনরাও পহেলা বৈশাখের দিনটিতে হালখাতার দিন হিসেবে ধার্য করে রাখত।
খাজনা ও ঋণের আর্থিক দুশ্চিন্তায় পহেলা বৈশাখ এলেই অনেক কৃষক আত্মহত্যা করত। সম্রাট আকবর দিনটিকে আনন্দময় হিসেবে সাধারণ প্রজাদের কাছে তুলে ধরার চেষ্টা করলেও আসলে বাঙ্গালিদের জন্য পহেলা বৈশাখ ছিল বেদনাময় এবং দূঃসহ একটি তারিখ।
শনিবার, ৬ এপ্রিল, ২০১৯
কন্টেন্ট মার্কেটিং কি?
ডিজিটাল মার্কেটিংকে
সহজ ভাষায় বলা যায় ‘মার্কেটিং কন্টেন্ট ডিজিটালি’। আসলে ‘ডিজিটাল’ শব্দটা হচ্ছে
মার্কেটিং এর একটা ধারণা, সহজ ভাষায় বললে একটা এপ্রোচ স্ট্র্যাটেজি। কিন্তু
ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে আমরা আসলে কন্টেটেরই মার্কেটিং করছি।
আজকাল মানুষ এড কম
পছন্দ করে। অনেকেই তো ইন্টারনেট ব্রাউজারে এড ব্লকিং সফটওয়্যার দিয়ে এড ব্লক করে
রাখেন। মানুষ যে এড কম পছন্দ করে তার একটা ছোট উদাহরণ হচ্ছে আমরা যখন টেলিভিশন
দেখি যেই চ্যানেলে এড হয় সেই চ্যানেল পরিবর্তন করে অন্য চ্যানেলে চলে যায়।
তাহলে ইন্টারনেটে
আপনার টার্গেটেড কাস্টমারকে কিভাবে আপনার পণ্য বা সেবা সম্পর্কে বুঝাবেন কিংবা
আপনার ব্র্যান্ডকে কিভাবে পরিচিত করে তুলবেন অথবা কিভাবে আপনার ওয়েবসাইট বা ব্লগে
টার্গেটেড ভিউয়ারদের নিয়ে আসবেন?
এর সহজ সমাধাণ হচ্ছে
কন্টেন্ট মার্কেটিং। এখন প্রশ্ন হচ্ছে কন্টেন্ট মার্কেটিং কি?
আপনি ডিজিটাল
চ্যানেলগুলোতে এমনভাবে কন্টেন্ট উপস্থাপন করবেন যেখানে আপনি সরাসরি আপনার পণ্য বা
সেবা কেনার কথা না বলে তথ্যভিত্তিক উপাত্ত তুলে ধরবেন যাতে করে অডিয়েন্সরা সেই
কন্টেন্ট দেখে বা পড়ে আপনার পণ্য বা সেবা কিনতে আগ্রহী হয়। ইংরেজীতে বলা যায় to drive profitable customer action. মানে অডিয়েন্সরা কল টু একশনে যেতে উৎসাহিত হবেন।
এখন এই কন্টেন্ট টেক্সটও হতে পারে, ইমেজও হতে পারে, অডিও হতে পারে কিংবা ভিডিও হতে
পারে। কন্টেন্ট নিয়ে ইন্টারনেটে এই টেকনিকটাই হচ্ছে কন্টেন্ট মার্কেটিং।
বিশেষত
যারা এফিলিয়েট এবং SEO করেন তাদের জন্য কন্টেন্ট মার্কেটিং বিষয়ে জানাটা
জরুরি। কারণ গুগল বা যে কোন সার্চ ইঞ্জিন শুধুমাত্র কন্টেন্টকেই ক্রাউল করে।
ট্রডিশনাল মার্কেটিং
থেকে এই কন্টেন্ট মার্কেটিংয়ের পার্থক্যটা হচ্ছে, ট্রেডিশনাল মার্কেটিংয়ে আপনি
ডাইরেক্ট সেল করছেন আর কন্টেন্ট মার্কেটিংয়ে আপনি ইনডাইরেক্ট সেল করছেন।
ট্রেডিশনাল
মার্কেটিংয়ের ফলাফলটা ক্ষণস্থায়ী। তার মানে আপনি যখন শুধু টাকা দিয়ে এড দিবেন তখনই
সেল হবে, এড শেষ তো সেলও শেষ।
এদিক দিয়ে কন্টেন্ট মার্কেটিংয়ের স্ট্র্যাটেজিটা
স্থায়ী। এখনকার একটা আর্টিকেল পড়ে পাঁচ বছর পরও একজন কেউ আপনার পণ্য বা সেবা কিনতে
পারে। আর কন্টেন্ট মার্কেটিংটা একেবারে সাশ্রয়ী, বেশিরভাগ ডিজিটাল চ্যানেলগুলোতে
তো ফ্রি কন্টেন্ট দিতে পারছেন। আর পাবলিক তো ফ্রি জিনিসই বেশি পছন্দ করে। কন্টেন্ট
ভাল হলে অনেক অডিয়েন্স আবার সেই কন্টেন্টগুলো বিভিন্ন সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ারও করে
থাকেন। এটা কন্টেন্ট মার্কটিয়ের একটা প্লাস পয়েন্ট।
তবে কন্টেন্ট
মার্কেটিংয়ে একটা কথা অবশ্যই মনে রাখবেন, Marketing is impossible without great content!
শুক্রবার, ৮ মার্চ, ২০১৯
ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে কন্টেন্ট কি?
ট্রেডিশনাল
মার্কেটিংয়ে আমরা কি কখনও দেখেছি মার্কেটাররা বা মার্কেটিং রিপ্রেজেন্টিটিভরা
সরাসরি কাউকে কি বলে যে, ভাই এই প্রোডাক্টটি খুব ভাল নেন! নিশ্চয় না। প্রোডাক্টটি কাউকে
নেওয়ার কথা বলার আগে রিপ্রেজেন্টিটিভরা আগে সেই পণ্যের গুনাগুন বলে, পণ্যটি আপনার
কি উপকারে আসবে সেই কথা বলে, বিভিন্ন ফিচারের কথা বলে। তারপর পণ্যটি নেওয়ার কথা বলে। ডিজিটাল
মার্কেটিংয়েও আপনি কাউকে ডিজিটাল চ্যানেলগুলোতে আপনার পণ্য বা সেবা নেওয়ার কথা
সরাসরি বলতে পারবেন না। আর গুগল বা যে কোন সার্চ ইঞ্জিন তো কখনই এমনি এমনি আপনার
ওয়েবসাইটে কোন ইউজারকে রেফার করবেনা। হ্যাঁ, এ জন্য প্রয়োজন কন্টেন্ট। বিশেষ করে
যারা SEO, এফিলিয়েট মার্কেটিং বা গুগল এডসেন্স নিয়ে কাজ
করেন তাদের জন্য তো এই কন্টেন্ট খুবই জরুরি!
এখন প্রশ্ন আসে
কন্টেন্ট কি? এক কথাই যদি বলি কন্টেন্ট হচ্ছে ডিজিটাল চ্যানেলগুলোতে উপস্থাপন বা
পোস্টিং এর রসদ বা মেটেরিয়াল। আরো ভালভাবে বললে কন্টেন্ট হচ্ছে আপনার পণ্য বা সেবা
এবং নির্দিষ্ট কোন কী ওয়ার্ডের বিস্তারিত উপস্থাপন। আপনি যদি কোন পণ্য বিক্রি করতে
চান তাহলে সেই পণ্যের সুবিধা অসুবিধা, গুণাগুণ তুলে ধরবেন। আপনি যদি কোন সেবাদাতা
হয়ে থাকেন তাহলে আপনি কিভাবে সেবা প্রদান করে থাকেন সে বিষয়ে বিস্তারিত তুলে
ধরবেন। অথবা আপনি যদি এফিলিয়েট অথবা ব্লগিং করেন তাহলে যেই কী ওয়ার্ড নিয়ে কাজ
করেন সেই কী ওয়ার্ডের বিষয়বস্তু তুলে ধরবেন।
এখন আসা যাক কন্টেন্ট
কি কি ধরণের হতে পারে। কন্টেন্ট সাধারণত চার ধরণের হয়ে থাকে।
১.
টেক্সট- টেক্সট কন্টেন্ট
হচ্ছে আপনি যা লেখে বা টাইপ করে বুঝাতে পারেন। ধরুন পণ্য বা সেবা সম্পর্কে
বিস্তারিত লিখলেন। অথবা নির্দিষ্ট কোন কী ওয়ার্ড নিয়ে লেখে বা টাইপ করে তথ্য
উপস্থাপন করলেন।
২.ইমেজ
বা ছবি- ধরুন আপনি আপনার
পণ্যের বা সেবার কোন ডিজিটাল চ্যানেলে ফটোগ্রাফি তুলে ধরলেন। অথবা কোন তথ্যের একটা
গ্রাফিক্যাল ভিউ তুলে ধরলেন। এটাই হচ্ছে ইমেজ কন্টেন্ট।
৩. অডিও- অডিও কন্টেন্ট হচ্ছে কোন কিছু বলে বা সাউন্ড
দিয়ে বোঝানো। এই যে আমি বলে বোঝাচ্ছি এটাই অডিও কন্টেন্ট। অথবা কোন মিউজিক বা গানও
অডিও কন্টেন্টের মধ্যে পরে।
৪.ভিডিও- এই যে আমি ইউটিউবে ভিডিওটি আপলোড করে কন্টেন্ট
সম্পর্কে আপনাদের বোঝাচ্ছি এটাই একটা ভিডিও কন্টেন্ট।
সোমবার, ৪ মার্চ, ২০১৯
ভারত- পাকিস্তান কার কত অস্ত্র?
ভারত পাকিস্তান দুটি দেশ এখন যুদ্ধাবস্থায় আছে। চলুন দেখা যাক অস্ত্র
এবং সেনা শক্তির দিক দিয়ে কে বেশী শক্তিশালী।
প্রথমেই দেখে নিই আয়তনের দিক থেকে কে কত বড়।
আয়তন
ভারতের আয়তন ৩২৮৭৫৯০ বর্গ: কিমি (বত্রিশ লাখ সাতাশি হাজার পাঁচশত নব্বই বর্গ কিলোমিটার)
পাকিস্তানের
আয়তন ৭৯৬০৯৫ বর্গ কিমি: (সাত লাখ ছিয়ানব্বই হাজার পঞ্চানব্বই বর্গ কিলোমিটার)
জনসংখ্যা
ভারতের
বর্তমান জনসংখ্যা ১২৭৬২৬৭০০০ (একশত সাতাশ কোটি বাষট্টি লাখ সাতষট্টি হাজার)
পাকিস্তানের
বর্তমান জনসংখ্যা ১৯৯০৮৫৮৪৭ (উনিশ কোটি নব্বই লাখ পচাশি হাজার আটশত সাতচল্লিশ)
প্রতিরক্ষা খাতে কে কত খরচ করে
প্রতি
বছর গড়ে ভারত প্রতিরক্ষা খাতে খরচ করে ৫৫.৯ বিলিয়ন ডলার যা ভারতের জিডিপির ২.৫
শতাংশ।
প্রতি
বছর গড়ে পাকিস্তান প্রতিরক্ষা খাতে খরচ করে মাত্র ১০.৮ বিলিয়ন ডলার যা পাকিস্তানের
জিডিপির ২.৯ শতাংশ।
পরমাণবিক অস্ত্র
ভারতের
পরমানবিক অস্ত্র আছে ১১০-১২০ টির মত।
সে
তুলনায় পাকিস্তানের পরামানবিক অস্ত্র আছে ১২০-১৩০ টির মত।
জনশক্তি
ভারতের
সামরিক জনশক্তি আছে ২১৪০০০০ জন (একুশ লাখ চল্লিশ হাজার) এবং
রিজার্ভ সামরিক জনশক্তি আছে ১১৫৫০০০ জন (এগার লাখ পঞ্চান্ন হাজার)।
সে
তুলনায় পাকিস্তানের সামরিক জনশক্তি আছে মাত্র ৬৫৩৮০০ জন (ছয় লাখ তিপান্ন হাজার আটশত জন)এবং
রিজার্ভ সামরিক জনশক্তি আছে ৫১৩০০০ জন (পাঁচ লাখ তের হাজার জন)।
এবার
আসা যাক সামরিক সরঞ্জামাদি কার কতগুলো কি আছে
পদাতিক বাহিনি বা সেনাবাহিনীর অস্ত্র
ট্যাংক
ভারতের
ট্যাংক আছে ৪৪২৬ (চার হাজার চারশত ছাব্বিশটি)।
পাকিস্তানের
ট্যাঙ্ক আছে ২৭৩৫ (দুই হাজার সাতশত পয়ত্রিশটি)।
যুদ্ধের অন্যান্য বাহনের মধ্যে-
ভারতের
আছে ৫৬৮১ (পাঁচ হাজার ছয়শত একাশিটি)।
পাকিস্তানের
আছে ৩০৬৬ (তিন হাজার ছিষট্টিটি)।
সেলফ প্রোপেল্ড আর্টিলারি
ভারতের
আছে ২৯০ টি (দুইশত নব্বই)।
এ
দিক দিয়ে পাকিস্তানের আছে ৩২৫ টি (তিনশত পঁচিশটি)।
রকেট আর্টিলারি
ভারতের
আছে ২৯২টি।
পাকিস্তানের
আছে ১৩৪টি।
বিমান বাহিনীর অস্ত্র
যুদ্ধ বিমান
ভারতের
যুদ্ধ বিমান আছে ৩২৩ টি।
পাকিস্তানের
যুদ্ধ বিমান আছে ১৮৬ টি।
মাল্টিরোল বিমান
ভারতের
মাল্টিরোল বিমান আছে ৩২৯ টি।
পাকিস্তানের
মাল্টিরোল বিমান আছে ২২৫ টি।
আক্রমণ বিমান
ভারতের
আক্রমণ বিমান আছে ২২০ টি।
পাকিস্তানের
আক্রমণ বিমান আছে ৯০ টি।
হেলিকপ্টার
ভারতের
হেলিকপ্টার আছে ৭২৫ টি।
পাকিস্তানের
হেলিকপ্টার আছে ৩২৩ টি।
নৌ বাহিনীর অস্ত্র
ভারতের
নৌবাহিনী পাকিস্তানের নৌ বাহিনীর তুলনায় কিছুটা শক্তিশালী।
বিমান বহনকারী জাহাজ
ভারতের
বিমানবহনকারী জাহাজ আছে ২ টি।
অপরদিকে
পাকিস্তানের কোন বিমানবহনকারী জাহাজ নেই।
বিমান বিদ্ধংসী জাহাজ
ভারতের
বিমান বিদ্ধংসী জাহাজ আছে ১১ টি।
অপরদিকে
পাকিস্তানের কোন বিদ্ধংসী জাহাজ নেই।
ফ্রিগেট রণতরী
ভারতের
ফ্রিগেট রণতরী আছে ১৫ টি।
পাকিস্তানের
ফ্রিগেট রণতরী আছে ৯ টি।
কর্ভেটস রণতরী
ভারতের
কর্ভেটস রণতরী আছে ২৪ টি।
অপরদিকে
পাকিস্তানের কোন কর্ভেটস রণতরী নেই।
সাবমেরিন
ভারতের
সাবমেরিন আছে ১৫ টি।
পাকিস্তানের
সাবমেরিন আছে ৫ টি।
রবিবার, ৩ মার্চ, ২০১৯
যেভাবে আপনার ফোনে সবসময় 4G নেটওয়ার্ক থাকবে!
হাতের ফোনকে বানান স্ক্যানার
সোমবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯
ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর রাজবাড়ির ইতিহাস
১৭৯৩ সালে বৃটিশ শাসন আমলে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত আইনের ফলে জমিদারদের জমিদারি সুদৃঢ় হয়। উপমহাদেশের প্রতিটি অঞ্চলে একজন করে জমিদারকে সেই অঞ্চলের জমির মালিকানা প্রদান করা হয়। জমিদাররা সেই অঞ্চলের অধীনস্ত প্রজাদের কাছে জমির খাজনা আদায় করতেন এবং সেই খাজনা জমিদারদের মাধ্যমে পৌঁছাত বৃটিশ শাসকদের কাছে।
হরিপুরে জমিদারির ইতিহাস
আনুমানিক ১৪০০ খ্রিস্টাব্দে ঘনশ্যাম কুন্ডু নামক একজন ব্যবসায়ী এন্ডি কাপড়ের ব্যবসা করতে হরিপুরে আসেন। সেই সময় মেহেরুন্নেসা নামে এক বিধবা মুসলিম মহিলা এ অঞ্চলের জমিদার ছিলেন। তাঁর বাড়ি হরিপুরের মেদিনীসাগর গ্রামে। জমিদারির খাজনা দিতে হতো তাজপুর পরগনার ফৌজদারের নিকট। খাজনা অনাদায়ের পড়ার কারণে মেহেরুন্নেসার জমিদারির কিছু অংশ নিলাম হয়ে গেলে ঘনশ্যাম কুন্ডু কিনে নেন।
নির্মাণের ইতিহাস
ঘনশ্যামের পরবর্তী বংশধরদের একজন রাঘবেন্দ্র রায় ঊনবিংশ শতাব্দীর মধ্যভাগে বৃটিশ আমলে হরিপুর রাজবাড়ির কাজ শুরু করেন। কিন্তু তাঁর সময়ে রাজবাড়ির সমস্ত কাজ শেষ হয়নি। রাঘবেন্দ্র রায়ের পুত্র জগেন্দ্র নারায়ণ রায় ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষদিকে রাজবাড়ির নির্মাণ কাজ শেষ করেন। এসময় তিনি বৃটিশ সরকার কর্তৃক রাজর্ষি উপাধিতে ভূষিত হন।
১৯৪৭ সালে ভারত উপমহাদেশ ভারত ও পাকিস্থান দুটি দেশে বিভক্ত হয়ে গেলে পাকিস্থান অঞ্চলের হিন্দু জমিদাররা নিজ বাড়ি ছেড়ে ভারতে চলে যায়। সেই প্রেক্ষিতে হরিপুর রাজবাড়ির জমিদার জগেন্দ্র নারায়ণ রায় পরিবারসহ ভারতের রায়গঞ্জে পালিয়ে যায়।
৩ একর ২৭ শতক জমির উপর এই জমিদার বাড়িটি। জমিদারি পরিচালনার জন্য কাচারী, ধর্মীয় উৎসবের জন্য বিভিন্ন উপাসনলয়, বিনোদনের জন্য নাচমহল, নাগমহল, অন্দরমহল ও অন্ধকূপ ইত্যাদি স্থাপন করেছিলেন।জগেন্দ্র নারায়ণ রায়ের সমাপ্তকৃত রাজবাড়ির দ্বিতল ভবনে লতাপাতার বিভিন্ন নকশা এবং পূর্ব দেয়ালের উপরে রাজর্ষি জগেন্দ্র নারায়ণের চৌদ্দটি আবক্ষ মূর্তি আছে। তাছাড়া ভবনটির পূর্বপাশে একটি শিব মন্দির এবং মন্দিরের সামনে নাট মন্দির রয়েছে। রাজবাড়িতে একটি বিশাল পাঠাগার ছিলো যেটি কালের গর্ভে হারিয়ে গেছে। রাজবাড়িটির যে সিংহদরজা ছিল তাও নিশ্চিহ্ন হয়েছে।
১৯০০ সালের দিকে ঘনশ্যামের বংশধররা বিভক্ত হলে হরিপুর রাজবাড়িও দুটি আলাদা অংশে বিভক্ত হয়ে যায়। রাঘবেন্দ্র-জগেন্দ্র নারায়ণ রায় যে বাড়িটি তৈরি করেন তা বড় তরফের রাজবাড়ি নামে পরিচিত। এই রাজবাড়ির পশ্চিমদিকে নগেন্দ্র বিহারী রায় চৌধুরি ও গিরিজা বল্লভ রায় চৌধুরি ১৯০৩ সালে আরেকটি রাজবাড়ি নির্মাণ করেন যার নাম ছোট তরফের রাজবাড়ি।
জরাজীর্ন অবস্থায় পড়ে আছে এখন এই হরিপুর রাজবাড়িটি। সরকার সংস্কারের উদ্যোগ নিলে এই রাজবাড়িটি হতে পারে পর্যটনের একটি অন্যতম স্থান। হরিপুরবাসীর প্রত্যাশা অতিসত্যর এটিকে সংস্কার করে গড়ে তোলা হবে একটি পর্যটন স্থান হিসেবে।
লেবেলসমূহ:
দর্শনীয় স্থান
লোকেশন:
Haripur Upazila, Bangladesh
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)
