ডিজিটাল মার্কেটিং লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ডিজিটাল মার্কেটিং লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শনিবার, ৬ এপ্রিল, ২০১৯

কন্টেন্ট মার্কেটিং কি?



ডিজিটাল মার্কেটিংকে সহজ ভাষায় বলা যায় ‘মার্কেটিং কন্টেন্ট ডিজিটালি’। আসলে ‘ডিজিটাল’ শব্দটা হচ্ছে মার্কেটিং এর একটা ধারণা, সহজ ভাষায় বললে একটা এপ্রোচ স্ট্র্যাটেজি। কিন্তু ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে আমরা আসলে কন্টেটেরই মার্কেটিং করছি। 

আজকাল মানুষ এড কম পছন্দ করে। অনেকেই তো ইন্টারনেট ব্রাউজারে এড ব্লকিং সফটওয়্যার দিয়ে এড ব্লক করে রাখেন। মানুষ যে এড কম পছন্দ করে তার একটা ছোট উদাহরণ হচ্ছে আমরা যখন টেলিভিশন দেখি যেই চ্যানেলে এড হয় সেই চ্যানেল পরিবর্তন করে অন্য চ্যানেলে চলে যায়।

তাহলে ইন্টারনেটে আপনার টার্গেটেড কাস্টমারকে কিভাবে আপনার পণ্য বা সেবা সম্পর্কে বুঝাবেন কিংবা আপনার ব্র্যান্ডকে কিভাবে পরিচিত করে তুলবেন অথবা কিভাবে আপনার ওয়েবসাইট বা ব্লগে টার্গেটেড ভিউয়ারদের নিয়ে আসবেন?

এর সহজ সমাধাণ হচ্ছে কন্টেন্ট মার্কেটিং। এখন প্রশ্ন হচ্ছে কন্টেন্ট মার্কেটিং কি?
আপনি ডিজিটাল চ্যানেলগুলোতে এমনভাবে কন্টেন্ট উপস্থাপন করবেন যেখানে আপনি সরাসরি আপনার পণ্য বা সেবা কেনার কথা না বলে তথ্যভিত্তিক উপাত্ত তুলে ধরবেন যাতে করে অডিয়েন্সরা সেই কন্টেন্ট দেখে বা পড়ে আপনার পণ্য বা সেবা কিনতে আগ্রহী হয়। ইংরেজীতে বলা যায় to drive profitable customer action. মানে অডিয়েন্সরা কল টু একশনে যেতে উৎসাহিত হবেন। 

এখন এই কন্টেন্ট টেক্সটও হতে পারে, ইমেজও হতে পারে, অডিও হতে পারে কিংবা ভিডিও হতে পারে। কন্টেন্ট নিয়ে ইন্টারনেটে এই টেকনিকটাই হচ্ছে কন্টেন্ট মার্কেটিং।

বিশেষত যারা এফিলিয়েট এবং SEO করেন তাদের জন্য কন্টেন্ট মার্কেটিং বিষয়ে জানাটা জরুরি। কারণ গুগল বা যে কোন সার্চ ইঞ্জিন শুধুমাত্র কন্টেন্টকেই ক্রাউল করে।

ট্রডিশনাল মার্কেটিং থেকে এই কন্টেন্ট মার্কেটিংয়ের পার্থক্যটা হচ্ছে, ট্রেডিশনাল মার্কেটিংয়ে আপনি ডাইরেক্ট সেল করছেন আর কন্টেন্ট মার্কেটিংয়ে আপনি ইনডাইরেক্ট সেল করছেন। 
ট্রেডিশনাল মার্কেটিংয়ের ফলাফলটা ক্ষণস্থায়ী। তার মানে আপনি যখন শুধু টাকা দিয়ে এড দিবেন তখনই সেল হবে, এড শেষ তো সেলও শেষ। 

এদিক দিয়ে কন্টেন্ট মার্কেটিংয়ের স্ট্র্যাটেজিটা স্থায়ী। এখনকার একটা আর্টিকেল পড়ে পাঁচ বছর পরও একজন কেউ আপনার পণ্য বা সেবা কিনতে পারে। আর কন্টেন্ট মার্কেটিংটা একেবারে সাশ্রয়ী, বেশিরভাগ ডিজিটাল চ্যানেলগুলোতে তো ফ্রি কন্টেন্ট দিতে পারছেন। আর পাবলিক তো ফ্রি জিনিসই বেশি পছন্দ করে। কন্টেন্ট ভাল হলে অনেক অডিয়েন্স আবার সেই কন্টেন্টগুলো বিভিন্ন সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ারও করে থাকেন। এটা কন্টেন্ট মার্কটিয়ের একটা প্লাস পয়েন্ট।

তবে কন্টেন্ট মার্কেটিংয়ে একটা কথা অবশ্যই মনে রাখবেন, Marketing is impossible without great content!

শুক্রবার, ৮ মার্চ, ২০১৯

ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে কন্টেন্ট কি?



ট্রেডিশনাল মার্কেটিংয়ে আমরা কি কখনও দেখেছি মার্কেটাররা বা মার্কেটিং রিপ্রেজেন্টিটিভরা সরাসরি কাউকে কি বলে যে, ভাই এই প্রোডাক্টটি খুব ভাল নেন! নিশ্চয় না। প্রোডাক্টটি কাউকে নেওয়ার কথা বলার আগে রিপ্রেজেন্টিটিভরা আগে সেই পণ্যের গুনাগুন বলে, পণ্যটি আপনার কি উপকারে আসবে সেই কথা বলে, বিভিন্ন ফিচারের কথা  বলে। তারপর পণ্যটি নেওয়ার কথা বলে। ডিজিটাল মার্কেটিংয়েও আপনি কাউকে ডিজিটাল চ্যানেলগুলোতে আপনার পণ্য বা সেবা নেওয়ার কথা সরাসরি বলতে পারবেন না। আর গুগল বা যে কোন সার্চ ইঞ্জিন তো কখনই এমনি এমনি আপনার ওয়েবসাইটে কোন ইউজারকে রেফার করবেনা। হ্যাঁ, এ জন্য প্রয়োজন কন্টেন্ট। বিশেষ করে যারা SEO, এফিলিয়েট মার্কেটিং বা গুগল এডসেন্স নিয়ে কাজ করেন তাদের জন্য তো এই কন্টেন্ট খুবই জরুরি!

এখন প্রশ্ন আসে কন্টেন্ট কি? এক কথাই যদি বলি কন্টেন্ট হচ্ছে ডিজিটাল চ্যানেলগুলোতে উপস্থাপন বা পোস্টিং এর রসদ বা মেটেরিয়াল। আরো ভালভাবে বললে কন্টেন্ট হচ্ছে আপনার পণ্য বা সেবা এবং নির্দিষ্ট কোন কী ওয়ার্ডের বিস্তারিত উপস্থাপন। আপনি যদি কোন পণ্য বিক্রি করতে চান তাহলে সেই পণ্যের সুবিধা অসুবিধা, গুণাগুণ তুলে ধরবেন। আপনি যদি কোন সেবাদাতা হয়ে থাকেন তাহলে আপনি কিভাবে সেবা প্রদান করে থাকেন সে বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরবেন। অথবা আপনি যদি এফিলিয়েট অথবা ব্লগিং করেন তাহলে যেই কী ওয়ার্ড নিয়ে কাজ করেন সেই কী ওয়ার্ডের বিষয়বস্তু তুলে ধরবেন।

এখন আসা যাক কন্টেন্ট কি কি ধরণের হতে পারে। কন্টেন্ট সাধারণত চার ধরণের হয়ে থাকে।

১. টেক্সট- টেক্সট কন্টেন্ট হচ্ছে আপনি যা লেখে বা টাইপ করে বুঝাতে পারেন। ধরুন পণ্য বা সেবা সম্পর্কে বিস্তারিত লিখলেন। অথবা নির্দিষ্ট কোন কী ওয়ার্ড নিয়ে লেখে বা টাইপ করে তথ্য উপস্থাপন করলেন।

২.ইমেজ বা ছবি- ধরুন আপনি আপনার পণ্যের বা সেবার কোন ডিজিটাল চ্যানেলে ফটোগ্রাফি তুলে ধরলেন। অথবা কোন তথ্যের একটা গ্রাফিক্যাল ভিউ তুলে ধরলেন। এটাই হচ্ছে ইমেজ কন্টেন্ট।

৩. অডিও- অডিও কন্টেন্ট হচ্ছে কোন কিছু বলে বা সাউন্ড দিয়ে বোঝানো। এই যে আমি বলে বোঝাচ্ছি এটাই অডিও কন্টেন্ট। অথবা কোন মিউজিক বা গানও অডিও কন্টেন্টের মধ্যে পরে।

৪.ভিডিও- এই যে আমি ইউটিউবে ভিডিওটি আপলোড করে কন্টেন্ট সম্পর্কে আপনাদের বোঝাচ্ছি এটাই একটা ভিডিও কন্টেন্ট।

শনিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯

ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের প্ল্যাটফর্মস বা চ্যানেলগুলো কি কি?

ট্রেডিশনাল মার্কেটিংয়ে অনেক সময় দেখি কোম্পানিগুলো কিছু স্পট বেছে নেয় তারপর সেই স্পটগুলিতে মার্কেটিং রিপ্রেজেন্টেটিভ বা বিপনন কর্মকর্তার মাধ্যমে মার্কেটিং করে থাকে।
ডিজিটাল মার্কেটিং যেহেতু অনলাইন নির্ভর সে ক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই অনলাইনভিত্তিক বা ইন্টারনেটভিত্তিক কিছু প্ল্যাটফর্ম বা চ্যানেল বেছে নিতে হবে। বিশেষত যারা আউটসোর্স করেন বা কন্টেন্ট মার্কেটিং করেন তাদের তো ইন্টারনেটভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম ছাড়া আর কোন জায়গা নেই। তো চলুন দেখে আসা যাক প্ল্যাটফর্মগুলো কি কি!

ওয়েবসাইট বা ব্লগ   হচ্ছে আপনার বা আপনার কোম্পানির একটা ইউনিক আইডেন্টিটি। আজকাল আপনি একটি কোম্পানি করবেন অথবা আপনার পণ্য বা সেবা বিপনন করবেন কিন্তু ওয়েবসাইট না থাকলে কি হয়! অথবা আপনি কন্টেন্ট মার্কেটিং করে গুগল এডসেন্স থেকে টাকা উপার্জন করতে চাইছেন তাহলে তো অবশ্যই আপনার একটি ওয়েবসাইট বা ব্লগ থাকা জরুরি! বর্তমান প্রযুক্তিনির্ভর এই যুগে ওয়েবসাইট বা ব্লগ হচ্ছে একটি বিশ্বস্থতার প্রতীক। আপনি আপনার ওয়েবসাইটে আপনার পণ্য বা সেবা সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরবেন এতে করে কাস্টমাররা সহজেই আপনার পণ্য বা সেবা সম্পর্কে জানতে পারবে। আর যদি কন্টেন্ট মার্কেটিং করেন তাহলে ভিউয়ারের চাহিদামত তথ্য উপস্থাপন করবেন। তবে অবশ্যই মনে রাখবেন গুগল বা সার্চইঞ্জিনে সার্চে প্রথমের দিকে আসতে চাইলে অবশ্যই আপনাকে আপনার ওয়েবসাইট বা ব্লগের সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা ইংরেজীতে সংক্ষেপে যাকে বলে SEO এর কাজ করাতে হবে।

ফেসবুক হচ্ছে ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের অন্যতম এবং কার্যকরী একটি প্ল্যাটফর্ম বা চ্যানেল। বাংলাদেশে বর্তমান ফেসবুক ব্যাবহারকারীর সংখ্যা ৩ কোটির উপরে। ধারণা করা হচ্ছে টিভি বা অন্য কোন মিডিয়ায় বিজ্ঞাপন দেওয়ার থেকে ফেসবুকে ডিজিটাল মার্কেটিং করাটা এখন অনেক কার্যকরী। বাংলাদেশে তো এখন অনেক মানুষ আছে যারা টিভি দেখার থেকে খবর বা যে কোন বিষয়ে জানতে ফেসবুকে ঢুকেন বা ফেসবুক ব্রাউজ করেন। অনেকে এখন পণ্য বা সেবা বিপনন করতে অথবা কন্টেন্ট মার্কেটিং করতে ফেসবুককেই একমাত্র মাধ্যম হিসেবে বেছে নিয়েছেন।

ইউটিউব হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ভিডিও কন্টেন্ট বা ভিডিও স্ট্রীমিং ওয়েবসাইট বা প্ল্যাটফর্ম। গুগলের পরেই মানুষ এখন কোন কিছু জানতে বা দেখতে ইউটিউবে সার্চ করে। আপনি আপনার পণ্য বা সেবা সম্পর্কে বিভিন্ন ধরণের ভিডিও বানিয়ে ইউটিউবে আপলোড করতে পারেন। এতে করে সহজেই মানুষ আপনার পণ্য বা সেবা সম্পর্কে ধারণা পাবে। যারা ইউটিউব থেকে টাকা উপার্জন করতে চান তারা বিভিন্ন ধরণের ভিডিও কন্টেন্ট বানিয়ে ইউটিউবে আপলোড করতে পারেন।

লিঙ্কডইন হচ্ছে মূলত প্রোফেশনালদের জন্য একটি সোস্যাল মিডিয়া। অনেকে আছেন যারা কর্পোরেটদের টার্গেট করে পণ্য বা সেবা বিপনন করেন তারা লিঙ্কডইনকে ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বেছে নিতে পারেন। অথবা যারা কর্পোরেটদের টার্গেট করে কন্টেন্ট মার্কেটিং করে থাকেন তারাও লিঙ্কডইনকে মাধ্যম হিসেবে নিতে পারেন।

ইনস্টাগ্রাম হচ্ছে ফেসবুকেরই মালিকানাধীণ ইমেজ বা ছবি শেয়ারিং সোস্যাল মিডিয়া। অনেকেই আছেন যারা বিভিন্ন পণ্য বা সেবা নিয়ে ফটোগ্রাফি করে থাকেন অথবা ইমেজ কন্টেন্ট নিয়ে মার্কেটিং করেন (যেমন গ্রাফিক্স, মূলত ফটোশপ) তাদের জন্য  ইনস্টাগ্রাম হচ্ছে ডিজিটাল মার্কেটিং এর একটা পার্ফেক্ট মাধ্যম।

টুইটার এরও কিছু সংখ্যক ব্যাবহারকারী বাংলাদেশে আছে। টুইটারেও নিয়মিত পোস্ট বা মার্কেটিং করলে একটা সময় ভাল ফলোয়ার সমৃদ্ধ একটা প্রোফাইল হলে সেটিও হতে পারে ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের একটা অন্যতম প্ল্যাটফর্ম। মূলত যারা গ্লোবালি বিজনেস করেন অথবা কন্টেন্ট মার্কেটিং করেন তাদের জন্য ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের ভাল একটা প্ল্যাটফর্ম টুইটার

এছাড়াও Reddit, Tumblr এর মত প্ল্যাটফর্মগুলো ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের জন্য খুবই কার্যকরী। 

মঙ্গলবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯

ডিজিটাল মার্কেটিং কি এবং কেন?

প্রযুক্তির অগ্রযাত্রার সাথে সাথে পরিবর্তন হচ্ছে মানুষের জীবনযাত্রা। আর এর সাথে পরিবর্তন হচ্ছে আমাদের জীবনের প্রাত্যহিক সব কাজকর্মের রীতি-নীতি। প্রাচীনকাল থেকেই মানুষের জীবনধারা ও জীবনযাপন নির্ভর করে আসছিল মূলত কৃষির উপরে। যুগের পরিবর্তনের সাথে সাথে সেটা হয়ে যায় ব্যাবসাকেন্দ্রিক। আমাদের দৈনন্দিন জীবনের সাথে প্রতিটি ক্ষণে এখন কোন না কোন ভাবে আমরা ব্যাবসাকেন্দ্রিক কোন কাজের সাথে জড়িত হচ্ছি। সেভ করার ব্লেড থেকে শুরু করে জীবন ধারণের অত্যাধুনিক সরঞ্জামাদি হয় কেউ কিনছি অথবা কেউ বিক্রি করছি। 

আমরা যখন আমাদের ব্যাবসার পণ্য বা কোন সেবার জন্য ক্রেতা খুজি তখনেই আমাদের সামনে চলে আসে বিপনন বা মার্কেটিংয়ের বিষয়টি। বিপননের চিরাচরিত কৌশলগুলো  আমরা মোটামুটি সবাই জানি। পণ্য বা সেবার বিক্রির জন্য বা প্রসারের জন্য আমরা মার্কেটিং রিপ্রেজেন্টেটিভ নিয়োগ করে থাকি অথবা বিভিন্ন টিভি, ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া বা বিলবোর্ডে বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকি। 

কিন্তু ডিজিটাল এই যুগে এই কৌশলটিও এখন ডিজিটাল হয়ে গেছে। প্রযুক্তির এই যুগে মার্কেটিং বা বিপননের মাধ্যম হয়ে উঠেছে এখন অনলাইন বা ইন্টারনেট নির্ভর। আর এটাকেই আমরা বলছি ডিজিটাল মার্কেটিং। শুধু পণ্য বা সেবার বিপননের জন্য নয় এই ইন্টারনেটের যুগে যারা এখন আউটসোর্সিং করতে চান, পারসোনাল ব্র্যান্ডিং করতে চান বা নিজের ওয়েবসাইটে অথবা ব্লগে ট্রাফিক বাড়িয়ে বা ভিউয়ার বাড়িয়ে গুগল এডসেন্স বা এফিলিয়েটের মাধ্যমে টাকা উপার্জন করতে চান তাদের জন্যও ডিজিটাল মার্কেটিং জানাটা জরুরি। 

ডিজিটাল মার্কেটিং আসলে কি? যদি এই প্রশ্নে যাই তাহলে এর উত্তরটা একেবারে সোজাসাপটা হচ্ছে- অনলাইন বা  ইন্টারনেটভিত্তিক যে মাধ্যমগুলো আছে মূলত ওয়েবসাইট বা ব্লগ এবং বিভিন্ন সোসিয়াল মিডিয়া যেমন ফেসবুক, টুইটার, লিঙ্কডইন, ইউটিউবের মত মাধ্যমগুলোকে ব্যাবহার করে বিপনন বা মার্কেটিং। এই কৌশলে আপনি আপনার বিভিন্ন পণ্য বা সেবা এবং কন্টেন্টও মার্কেটিং করতে পারেন। ( ওয়েবসাইট বা ব্লগের বিভিন্ন লেখা,ছবি, ভিডিওকে মূলত কন্টেন্ট বলা হয়ে থাকে)। শুধু টাকার বিনিময়ে বিজ্ঞাপন না দিয়ে আপনি অর্গানিক বা ন্যাচারালি আপনি মার্কেটিং করতে পারেন। 

ডিজিটাল এই যুগে ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের প্রয়োজনীয়তাটা খুব যে বুঝিয়ে বলার আর দরকার আছে বলে মনে হয়না। বাংলাদেশে বর্তমান ১৭ কোটি মানুষের মধ্যে প্রায় ৬ কোটি মানুষ ইন্টারনেট ব্যাবহার করছেন। এবং এই ৬ কোটি মানুষ কোন না কোনভাবে আপনার কাস্টমার অথবা আপনার ওয়েবসাইট বা ব্লগের ভিউয়ার। ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে আপনি আপনার অফিসে বা ঘরে বসেই  এই ৬ কোটি মানুষের কাছে আপনার পণ্য বা সেবার তথ্য পৌছাতে পারছেন কিংবা আপনার কন্টেন্ট পৌঁছাতে পারছেন। আর জন্য আপনাকে আলাদা কোন রিপ্রেজেন্টেটিভ নিয়োগ দেওয়ার প্রয়োজন পরছেনা।